শিশুরা স্বভাবতই একটু চঞ্চল স্বভাবের হয়। তবে অতিমাত্রায় চঞ্চলতা ও কাজের প্রতি অমনোযোগিতা কিন্তু শিশুর মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। শিশুদের অতিমাত্রায় চঞ্চলতা, অতি আবেগ ও অমনোযোগিতার কারণ হতে পারে এডিএইচডি ব্যাধি। অ্যাটেনশন ডিফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভ ডিসর্ডার (এডিএইচডি) নামক এই রোগ ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে ১-৪ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে এই ব্যাধি বেশি দেখা যায়।
অতিমাত্রায় চঞ্চলতা এডিএইচডি শিশুর প্রথম উপসর্গ। শতকরা ৫ ভাগ শিশুর মধ্যে এডিএইচডি রোগটি পরিলক্ষিত হয়। এটি শিশুদের স্নায়ু বিকাশ জনিত আচরণগত সমস্যা। সাধারণত মেয়েদের তুলনায় ছেলে শিশুদের মধ্যে এটি ৩ গুণ এটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। নির্দিষ্টি কোনো কারণ এর জন্য দায়ী নয়। জমজ শিশুদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি। এছাড়া বাবা-মায়ের মধ্যে থাকলে এ রোগ শিশুদের হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ ভাগেরও বেশি।
করোনাভাইরাস মহামারীর প্রথম বছরে যারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন তাদের এক তৃতীয়াংশই স্নায়ুরোগে ভুগেছেন। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘পেইন’ জার্নালে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে কোভিড আক্রান্তদের নিয়ে ৯০ দিন ধরে চালানো হয় এ গবেষণা। এতে গবেষণার আওতায় আনা হয় এক হাজার ৫৫৬ জন কোভিড রোগীকে।
খবরে জানানো হয়, কোভিড আক্রান্তদের প্রতি ৩ জনে প্রায় একজনই পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিতে আক্রান্ত হন। এটি এমন একটি শারীরিক জটিলতা যা স্বল্প ও দীর্ঘ সময় ধরে থাকতে পারে। এর ফলে শরীরে অবশতা অনুভূত হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যথাও অনুভূত হয়।