ব্রেকিং নিউজ
আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মোদি চোর, বিজেপি চোর” স্লোগানে উত্তাল ভারতের বিধানসভা

ক্যাটাগরি: International | প্রকাশের তারিখ: 06 Sep 2025
মোদি চোর, বিজেপি চোর” স্লোগানে উত্তাল ভারতের বিধানসভা

ভারতের রাজনীতিতে আবারও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদে প্রবেশের পরপরই “*মোদি চোর, বিজেপি চোর*” স্লোগানে সংসদ চত্বর মুখর করে তোলে। এই স্লোগান ঘিরে ভারতের সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে বাঙালিদের প্রতি অবিচার ও অপমান করা হচ্ছে, যা পশ্চিমবঙ্গে তাদের নির্বাচনী সাফল্যে বাধা সৃষ্টি করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে "সাম্প্রদায়িক, বাঙালি-বিরোধী এবং নিম্নবর্ণ-বিরোধী" শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, বিজেপি বাঙালিদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করছে, যা তাদের রাজনীতির অংশ। এই বক্তব্যের সময় বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। ফলে, পাঁচজন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হয় এবং দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন অভিবাসন নীতিকে "নির্বাচনী কৌশল" হিসেবে সমালোচনা করেন এবং বলেন, এটি দেশের সার্বভৌমত্বের অবমাননা। এছাড়াও, পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর নতুন চলচ্চিত্র "দ্য বেঙ্গল ফাইলস" মুক্তি নিয়ে বিতর্ক চলছে। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেছেন যাতে চলচ্চিত্রটি শান্তিপূর্ণভাবে মুক্তি পায়, কারণ থিয়েটার মালিকরা রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাগুলো পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলেছে।