ব্রেকিং নিউজ
আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

Search Results for: Health

ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল অস্ত্র হল সচেতনতা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় নগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এক্ষেত্রে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনগণ জুমার খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্পর্কে মুসল্লিদের সচেতন করলে তা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভাল ফল বয়ে আনবে। মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইতোমধ্যে চসিকের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। গতকাল বুধবার সকালে লালদীঘি চসিক পাবলিক লাইব্রেরি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলেম ওলামাদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভা শেষে মেয়র আলেম-ওলামাদের সাথে নিয়ে লালদীঘি এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন
দূষণের বিরুদ্ধে যত আইন আছে, তার প্রয়োগ দরকার

পত্রিকান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে (২০১৫ সাল) বিশ্বব্যাপী ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ দূষণের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। ওই সব দেশে প্রতি চার জনে একজন পরিবেশ দূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দূষণ থেকে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে বাংলাদেশে। তালিকায় এরপর আছে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, বরং অবনতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে প্রতি ছয়জনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একজনের মৃত্যু ঘটছে পরিবেশ দূষণের কারণে। বাংলাদেশ ও সোমালিয়ায় মোট মৃত্যুর প্রায় ২৮ শতাংশ পরিবেশ দূষণ জনিত রোগের কারণে হয়। পরিবেশ দূষণ বলতে বায়ু, পানি ও মাটি এবং কর্মক্ষেত্রে দূষিত পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। পরিবেশ দূষণের কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। দূষণ জনিত মৃত্যুতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা বায়ু দূষণের, যা মোট মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। প্রতি বছর বায়ু দূষণের কারণে ৬৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন
চট্টগ্রামের ৯৯% খাঁটি মসলার দোকানে শতভাগ ভেজাল!

চট্টগ্রাম নগরীর কালামিয়া বাজারস্থ হাজী নজির আহম্মেদ মার্কেটের হাজী নজীব আহমেদ সওদাগরের মরিচের মিলটি এলাকায় সবার পরিচিত। দোকানটিতে স্বল্প দামে বিক্রি করা হয় নিত্য প্রয়োজনীয় মসলা সামগ্রী। যেখান থেকে সাধারণ ক্রেতারা অন্ধ বিশ্বাসে কিনে নিয়ে যান মরিচ, হলুদ ও ধানিয়াসহ অন্যান্য মসলা। কিন্তু কে জানতো খাবার অনুপযোগী নষ্ট পচা মরিচের সাথে ফটকা মরিচ মিশিয়ে স্বল্প মূল্যে এসব গুড়া মরিচ বিক্রি করা হতো। দোকানের সামনে ৯৯% খাঁটি মসলা বিক্রির কথা লিখা থাকলেও বাস্তবতায় যেন শতভাগ ভেজালের স্বর্গরাজ্য। ভোক্তাধিকারের অভিযানে ধরা পড়ে মরিচ মিলটির এমন কারসাজি। মিলের ফ্লোরে পড়ে থাকতে দেখা যায় ময়লাযুক্ত নষ্ট পচা মরিচের বস্তা।

আরও পড়ুন
ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে নিত্যপণ্যের বাজার!

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, সড়ক ও বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ায় এর সুফল মিলতে শুরু করেছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। চালের দামও আশানুরূপ কমেনি। এ নিয়ে অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন ক্রেতারা। বলার অপেক্ষা রাখে না, নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে চাপে থাকে নিম্ন-আয়ের মানুষ। তিন বেলার খাবার জোটানোই মুশকিল হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য প্রথম ও প্রধান কাজ হবে দেশে সার্বিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। এতে সবার মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। বহুদিন ধরেই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি এই দু’টি ক্ষেত্রে সংকট চলছে; যা এখন আরও তীব্র হয়েছে। অনেকেরই অভিযোগ, বিগত বছরগুলোতে সাধারণ নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বেশি কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের ব্যাপক তফাত থাকায় নাগরিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল দেশব্যাপী। নিয়মিত চড়া মূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয়ের মধ্যেই প্রায় সময় পেঁয়াজের মূল্য ১৫০, ভোগ্য তেলের মূল্য প্রতি লিটার ১৮০ থেকে ২০০, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০, ব্রয়লার ডিম ১৬০ টাকা ডজন পর্যন্ত বিক্রির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন
আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হোমিও চিকিৎসকের দোকান লুটিয়ে নিল অনিক

আদালতের আদেশ অমান্য করে চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা সংলগ্ন বন্দর কর্তৃপক্ষের জায়গায় দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত হোমিও চিকিৎসক ডাঃ ভূপাল কান্তি বৈদ্যের মূল্যবান ঔষধসহ দোকানের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় অনিকের নেতৃত্বাধীন ৮/১০ জন সন্ত্রাসীদল। গত ৫ আগস্ট রোজ সোমবার রাত আনুমানিক ১টায় হোমিও চিকিৎসক ডাঃ ভূপাল কান্তি বৈদ্যের দোকানের তালা ভেঙে অবৈধভাবে প্রবেশ করে সমস্ত ঔষধ ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর অনিকের নেতৃত্বাধীন ৮/১০ জন সন্ত্রাসীদল। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ডাঃ ভূপাল কান্তি বৈদ্য ভাড়াটিয়া চুক্তি মতে যথাযথ নির্দিষ্ট দোকান ভাড়া পরিশোধ করে বিগত ১৯৯৬ ইংরেজি সাল থেকে ২৮ বছর পর্যন্ত কৃতিত্বের সাথে এলাকার জনসাধারণের হোমিও চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। অনিক লোভে অতিরিক্ত টাকার আশায় ডাক্তারের নিকট থেকে দোকান নিয়ে অন্যকে দিতে চাই। অনিক তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে ডাক্তারকে দোকান থেকে বের করতে চাইলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে গত ১৩/৯/২০১৫ইং তারিখ ফৌ. কার্যবিধির ৪৪ ধারা মতে একটি জিডি করেন, যার নং- ৪০/২০১৫। পরবর্তীতে অনিকের অস্বাভাবিক আচরণে অতিষ্ট হয়ে ২০১৭ সালে সদরঘাট থানায় ১৪৫ ধারায় আরও একটি জিডি করেন, যার নং- ১০৪৫/২০১৭।

আরও পড়ুন