ব্রেকিং নিউজ
আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আনোয়ারায় মাদকের টাকার জন্য মায়ের ওপর হামলা, অভিযুক্ত ছেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির লাখো লাখো মুসল্লির ঢল--- আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে কুমিরাঘোনা আখতরাবাদে মাহফিলে ইছালে সাওয়াব সম্পন্ন। স্মৃতিচারণা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত পরিবার দুই দিনের সরকারি সফরে দীর্ঘ ১৬ মাস পরে আজ পাবনায় গেলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

দূষণের বিরুদ্ধে যত আইন আছে, তার প্রয়োগ দরকার

ক্যাটাগরি: Health | প্রকাশের তারিখ: 04 Feb 2025
দূষণের বিরুদ্ধে যত আইন আছে, তার প্রয়োগ দরকার

পত্রিকান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরে (২০১৫ সাল) বিশ্বব্যাপী ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ দূষণের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। ওই সব দেশে প্রতি চার জনে একজন পরিবেশ দূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দূষণ থেকে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে বাংলাদেশে। তালিকায় এরপর আছে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, বরং অবনতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে প্রতি ছয়জনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একজনের মৃত্যু ঘটছে পরিবেশ দূষণের কারণে। বাংলাদেশ ও সোমালিয়ায় মোট মৃত্যুর প্রায় ২৮ শতাংশ পরিবেশ দূষণ জনিত রোগের কারণে হয়। পরিবেশ দূষণ বলতে বায়ু, পানি ও মাটি এবং কর্মক্ষেত্রে দূষিত পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। পরিবেশ দূষণের কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। দূষণ জনিত মৃত্যুতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা বায়ু দূষণের, যা মোট মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। প্রতি বছর বায়ু দূষণের কারণে ৬৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

গবেষকরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চেয়ে পরিবেশ দূষণ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা নানা দিক দিয়ে মানব জাতির স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ওপর একটি গভীর ও বিস্তৃত হুমকি। বায়ু দূষণের পরই পানি দূষণের অবস্থান। প্রতি বছর প্রায় ১৮ লাখ মানুষ পানি দূষণ জনিত রোগে ভুগে মারা যান। কর্মক্ষেত্রে দূষণ ৮ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। পরিবেশ ও জীবন একে অপরের পরিপূরক। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে অব্যাহত থাকে জীবন চক্র। তবে মানুষের জীবন চক্রে গৃহপালিত প্রাণির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আবার প্রাণিদেরও বেঁচে থাকতে নির্ভর করতে হয় পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর। পরিবেশের বিপর্যয় মানে জীবনের বিপর্যয়। প্রাণিস্বাস্থ্য, প্রাণি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন একটি আন্তঃসম্পর্কিত জটিল প্রক্রিয়া, যার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করে রোগের প্রাদুর্ভাব, উৎপাদন ব্যবস্থাসহ আরও অনেক কিছু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈরী জলবায়ুর করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বাংলাদেশও। এর পাশাপাশি যোগ হয়েছে পরিবেশ দূষণ। দূষণের দোষে দূষিত হয়ে উঠছে চারপাশ। শিল্প বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, প্রাণিজ এবং অন্যান্য বর্জ্যসহ বিভিন্ন রাসায়নিক বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে জীব বৈচিত্র্যের ওপর। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গৃহপালিত প্রাণি। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে চারণ ভূমির অভাবে প্রাণি খাদ্যের অভাব হচ্ছে, তাপ জনিত, ভেক্টরবাহিত এবং সংক্রামক রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রাণি সম্পদ উৎপাদন হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। অতি বৃষ্টি, উচ্চতাপমাত্রা এবং খরার ফলে মানুষের অজান্তেই সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক শক্তিশালী ভাইরাস। জলবায়ু পরিবর্তনে বিভিন্ন প্রাণির জটিল ও কঠিন রোগ দেখা দিচ্ছে। পরিবেশের ওপর জলবায়ুর প্রভাবের জন্য ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত, ভেক্টর প্রভাবিত এবং খাদ্যাভাবজনিত রোগসহ নানা রোগ হয়ে থাকে। নদীর এক কূল ভেঙে গড়ে উঠছে আরেক কূল। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন পরিবেশ, যা অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের জন্য বাসযোগ্য হয়ে ওঠে না।